টরকী বন্দর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বার বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার ততকালীন বার্থী ইউনিয়নের সুন্দরদী মৌজা বর্তমানে গৌরনদী পৌরসভার ১ন. ওয়ার্ডে ১৯৭০ সালে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ শিক্ষানুরাগী সমাজসেবী জনাব মরহুম শিকদার হাবিবুর রহমানের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা লগ্নে শিক্ষার্থী না পাওয়ার প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছেলে-মেয়ে সকলকে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানেও এ ধারা অব্যহত আছে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শুধু মেয়েদেরকে ভর্তি করানো হয়। পরে ১৯৭৬ সালে নবম দশম শ্রেণির পাঠদানের স্বীকৃতি লাভ করে। আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় টরকী নামে পথচলা শুরু হলেও ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে “টরকী বন্দর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়” নামকরণ করা হয়। ১৯৭৪ সালে ১.বাবু সুকুমার নন্দী ২.বাবু সুবীর নন্দী ৩. বাবু যজ্ঞেশ্বর নন্দী ৪.বাবু সুখময় নন্দী ৫.বাবু প্রাণ কৃষ্ণ নন্দী ৬.বাবু চিত্তরঞ্জন কর্মকার ৭.বাবু বিমল চন্দ্র কর্মকার ৮.বাবু ক্ষেত্র মোহন কর্মকার ৯.বাবু রাধীকা জীবন পাল ১০.গুপীনাথ চন্দ ১১.মনোরঞ্জন মিত্র এবং ১২. জনাব আব্দুল হাসেম ঘরামী এইজন মিলে সুন্দরদী মৌজার মোট ৭টি দাগে মোট ৯৮.৫ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ে নামে দলিলের মাধ্যমে দান করেন। ইতিপূর্বে ১৯৭২ সালে একটি দলিলে একই মৌজায় ৩টি দাগে মোট ৮২ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।পরবর্তীতে আরো ৭.৫ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে ক্রয় করা হয়। একটিমাত্র টিনসেড ঘর দিয়ে শুরু হলেও বর্তমানে একটি দ্বিতল ভবন, দুইটি টিলসেড ঘরে চলে শ্রেণি কার্যক্রম। বিদ্যালয়ে একটি শুসজ্যিত শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ও সম্বৃদ্ধ বিজ্ঞানাগার রয়েছে। খেলার মাঠ ছোট হলেও ক্রিকেট ও হ্যান্ড বলে বিশেষ পারদর্শিতা দেখিয়ে উপজেলা চ্যাম্পিয়নের গৌরব অর্জণ ণকরেছে বহুবার। বর্তমানে একটি চারতলা ভবনের কাজ চলমান রয়েছে।

গুণগত শিক্ষা দানের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যোগ্য কারিগর তৈরী করার লক্ষে আমরা নিরলস কাজ করছি। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষার্থী হবে সোনার বাংলার যোগ্য নাগরিক।

বর্তমানে বিদ্যালয়টি ফলাফল, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জেলা পর্যায়ে বেশ সুদৃঢ় একটি অবস্থান তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে এই মান ধরে রেখে আমরা অত্র অঞ্চলের মেয়েদের লেখাপড়ার সুবিধার্থে এটিকে একটি কলেজিয়েট স্কুলে রূপান্তর করতে চাই। এজন্য আমারদের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণের যে সর্বোচ্চ পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার প্রয়োজন তা করতে আমরা বদ্ধপরিকর।